বৃহস্পতিবার, ২৫ Jun ২০২৬, ০৩:৩০ পূর্বাহ্ন
শাহাব উদ্দীন সিকদার, মহেশখালী
দ্বীপ উপজেলার ছোট মহেশখালী ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ থেকে নির্বাচিত চেয়ারম্যান রিয়ানুল ইসলাম মঈন শিকদারের নেতৃত্বে বিপুল পরিমাণ দেশীয় মদ ও মদ তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।
৮ই ফেব্রয়ারী বুধবার সন্ধ্যা ৭ টার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ছোট মহেশখালী ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ড মুদিরছড়া রাখাইন পাড়া এলাকার বাসিন্দা মৌ ছাই মং, মাছে মং, লালা মা মং, ছেনছি মং, ছেনলাই মং ও লা ছিনু মং এর বাড়ি থেকে বিপুল পরিমান চোলাই মদ ও সরন্জমাদি উদ্ধার করেছে। ঘটনাস্থলে মদ উদ্ধার অভিযানের খবর পেয়ে মহেশখালী থানা পুলিশ এস আই সজলের নেতৃত্বে একটি পুলিশ টিম সেখানে পৌঁছে। মদ উদ্ধারে অভিযান পরিচালিত হওয়ার সময়ে ৬ নং ওয়ার্ডের মেম্বার আবুল হোছন, জাহেদুল সিকদার, আবুল হাসেম, মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, মুহিবুল্লাহ, মুজিবুল্লাহ, ইরফান সিকদার, গ্রাম পুলিশ রতন, নাজমুল, নুরুল আবছার, করিম, মিজান সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
এ ব্যাপারে চেয়ারম্যান রিয়ান সিকদার জানান, ছোট মহেশখালী ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালত চলাকালীন সময়ে আমার কাছে খবর আসে রাখাইন বসতির ৫টি বাড়িতে নিয়মিত মদ তৈরি করে যাচ্ছে, তখন আমি সাথে সাথে মহেশখালী থানাকে অবহিত করে এবং মানুষ জন নিয়ে মদ তৈরির কারখানার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেই এবং মদ উদ্ধারে সফল হই। আমার নির্বাচনী ইশতেহারের ঘোষণা অনুযায়ী এই চেয়ারে যতদিন অধিষ্ঠিত আছি ততদিন পযর্ন্ত সমগ্র ছোট মহেশখালী ইউনিয়ন কে মাদকমুক্ত করে ছাড়ব ইনশাল্লাহ।
এ ব্যাপারে মহেশখালী থানার ওসি প্রনব চৌধুরী জানান, মদের ব্যাপারে ছোট মহেশখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রিয়ান সিকদারের কাছ থেকে সংবাদ পাওয়ার সাথে সাথে ঘটনাস্থলে একটি পুলিশ টিম প্রেরণ করেছি, আমরা ইতিমধ্যে মহেশখালীর বিভিন্ন প্রান্তে মদের কারখানায় অভিযান পরিচালনা করেছি। মদের ব্যাপারে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহন করেছি এবং এই ব্যাপারে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। এই ঘটনায় ৫ জনের বিরুদ্ধে মাদক মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে মহেশখালী থানা সুত্রে জানা গেছে।
ভয়েস/জেইউ।