বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৪৬ পূর্বাহ্ন
জিকির উল্লাহ জিকু:
রামু উপজেলার ঈদগড় থেকে ডিবির অভিযানে ৩জন অবৈধ অস্ত্র ব্যবসায়ী গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে কক্সবাজার জেলা ডিবি পুলিশ। এই অভিযানে ৩জন অস্ত্র ব্যবসায়ী গ্রেফতারের পর তাদের কাছে থেকে ১২ (বার) টি রাইফেলের তাজা গুলি, ৩টি রাইফেলের ভাঙ্গা গুলি, ১,৫০০ (এক হাজার পাচশত) পিচ রাইফেলের বুলেট জব্দ করেছে।
১২ এপ্রিল কক্সবাজার জেলা পুলিশের সম্মেলন কক্ষে এসপি মোঃ মাহফুজুল ইসলাম পিপিএম (বার) বিকাল ২ টায় সংবাদ সম্মেলনের এসব তথ্য জানান।
অস্ত্র ব্যবসায়ী গ্রেফতার ও গুলি উদ্ধার বিষয়ে তিনি জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে রামু থানাধীন ঈদগড় এলাকায় অস্ত্র ব্যবসায়ী চক্র অবৈধ অস্ত্র—গোলাবারুদ এর একটি চালান গর্জনিয়া টেকনাফ এলাকায় নিয়ে যাবে। এমন খবর পাওয়ার পর গত ১০ এপ্রিল বিকাল ৬টার সময় রামু থানাধীন ঈদগড় ইউনিয়নস্থ গজালিয়া ঢালারমোড় নামক স্থানে উৎপেতে থাকা ডিবির টিম অস্ত্র ব্যবসায়ীদের বহনকারী একটি সিএনজি চ্যালেঞ্জ করে তাতে তল্লাশী চালায়।
এসময় সিএনজিতে থাকা অস্ত্র ব্যবসায়ী চক্রের সদস্য সদর উপজেলার নয়াপাড়ার বাসিন্দা মোঃ আবছার কামাল এর পুত্র মোঃ হুমায়ন করীর (২৩) ও ভারুয়াখালী বানিয়াপাড়া এলাকার মোঃ এনামূল হকের পুত্র মোঃ রিয়াজ উদ্দিনকে (৩১) তাদের বহনকারী সিএনজি গাড়ি থামিয়ে তল্লাসী চালালে তাদের হাতে
সাদা পলিথিন দ্বারা মোড়ানো— ১২ (বার) টি রাইফেলের তাজা গুলি, যাহার পারকিউশন ক্যাপের পিছনে ইংরেজীতে অস্পষ্ট লেখা ও ৩ (তিন) টি রাইফেলের ভাঙ্গা গুলি, ১,৫০০ (এক হাজার পাচশত) পিচ রাইফেলের বুলেট জব্দ করা হয়।
পরে তাদের দেওয়া তথ্যে মতে ও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে চক্রের অপর সদস্য চৌফলদন্ডী ডেইলপাড়া এলাকার মোঃ সিরাজুল ইসলামের পুত্র মোঃ আব্দুল মালেককে (২১) ১১ এপ্রিল রাত ২টার সময় নিজ বাসা থেকে গ্রেফতার করে।
এসপি আরো তথ্য যোগ করে বলেন, আভিযানিক দল চক্রের মূল হোতাদের চিহ্নিত করা তাদের গ্রেফতার ও আরো অস্ত্র উদ্ধারের জন্য টানা ১১ এপ্রিল পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে।
এ বিষয়ে কক্সবাজার জেলার রামু থানায় অস্ত্র আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃত ও পলাতক আসামীরা একটি অস্ত্র ও চোরাচালানী উল্লেখ সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরো বলেন, তারা একটি সঙ্গবদ্ধ অবৈধ অস্ত্র তৈরী, অস্ত্র চোরা চালান ও অবৈধ অস্ত্র ব্যবসায়ী চক্রের সক্রিয় সদস্য আসামীগণ অবৈধ অস্ত্র তৈরী, অবৈধ অস্ত্র সংগ্রহ, সরবরাহ ও মজুদ করতঃ রোহিঙ্গা ক্যাম্প সহ দেশের অভ্যান্তরে নাশকতা মূলক কর্মকান্ডে ব্যবহারের জন্য অস্ত্র সরবরাহ করে। গ্রেফতারকৃত ও পলাতক আসামীদের বিরুদ্ধে অগ্র মাদক ও ডাকাতির মামলা রয়েছে। পলাতক আসামীদের গ্রেফতার ও আরো অস্ত্র গুলি উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
ভয়েস/জেইউ।