সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:১৪ পূর্বাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
উখিয়া থানা ৪ ক্যাটাগরিতে পুরস্কার লাভ: পুরস্কার নিচ্ছেন ওসি আতিকুর রহমান উখিয়ায় ২ লাখ ইয়াবা উদ্ধার, বাজারমূল্য প্রায় ৬ কোটি টাকা বলিউডের শীর্ষ অভিনেত্রীদের অগ্রাধিকার এখন আর চলচ্চিত্র নয় কেন? আর্জেন্টিনার হয়ে মেসির ক্যারিয়ারের ৬টি স্মরণীয় ঘটনা আগে গোল দিয়েও মালয়েশিয়াকে হারাতে পারলো না বাংলাদেশের মেয়েরা নবম পে-স্কেল মন্ত্রিসভায় অনুমোদন চলন্ত বাসে কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, ফেলে দেওয়া হয় ৪০ কিলোমিটার দূরে লারাক দ্বীপে মার্কিন হামলার জবাবে জর্ডানে পাল্টা হামলা ইরানের কক্সবাজারে বালিয়াড়ি ভরাট করে বাঁধ নির্মাণ: প্রকল্প পুনর্বিবেচনার আহ্বান টিআইবির নারীপাচারের নয়া ফাঁদ ও শিকড়ের সংকট

অভিমানে ফুটবলকে বিদায় সাফজয়ী স্বপ্নার!

খেলাধুলা ডেস্ক:
গেল বছর নেপালের মাটিতে স্বাগতিকদের হারিয়ে দক্ষিণ এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্বের আসর সাফ চ্যাম্পিয়ন হয় বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। সেই সাফজয়ী দলের অন্যতম সদস্য সিরাত জাহান স্বপ্না। জাতীয় দলের এই ফরোয়ার্ড গতকাল (বৃহস্পতিবার) বাফুফের ক্যাম্প ত্যাগ করে নিজ জেলা রংপুরে চলে গেছেন। জাতীয় দলের তার সতীর্থরা ক্যাম্পে থাকলেও অবসাদ ও অভিমানে তিনি ক্যাম্প ত্যাগ করেছেন বলে জানা গেছে।

স্বপ্নার অবসাদের কারণ এই ফুটবলই। গত সেপ্টেম্বরে সাফ চ্যাম্পিয়ন হয়ে আসার পর নারী ফুটবলাররা এখনো কোনো ম্যাচ খেলতে পারেননি। দুই দফা প্রীতি ম্যাচের আয়োজনের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছে বাফুফে। মিয়ানমারে অলিম্পিক বাছাইয়ে খেলতে পাঠায়নি। অনেকের দেশের বাইরে খেলার প্রস্তাব ছিল। নারী ফ্রাঞ্চাইজ লিগের জন্য সেই প্রস্তাবও সাড়া দিতে পারেননি। নারী ফ্রাঞ্চাইজ লিগ কবে হবে এ নিয়েও রয়েছে অনিশ্চয়তা। সব কিছু মিলিয়ে স্বপ্না হতাশ ছিল বলে জানা গেছে।

এই অবসাদগ্রস্ততা থেকেই স্বপ্না ফুটবল থেকে দূরে সরে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। স্বপ্নার ফুটবল ছাড়ার বিষয়টি অবশ্য জানা নেই কোচিং স্টাফ এবং বাফুফের কারো। জাতীয় দলের হেড কোচ গোলাম রব্বানী ছোটন এবং সহকারী কোচ মাহবুবুর রহমান লিটু দুইজনই স্বপ্নার ক্যাম্প ত্যাগের বিষয়ে বলেন, ‘স্বপ্নার কিছু দিন যাবত খারাপ লাগছিল। বাড়ি যেতে চেয়েছে সে তাই আমরা তাকে ৪-৫ দিন বাড়িতে কাটিয়ে আবার ক্যাম্পে ফিরতে বলেছি’। তবে এই বিষয়ে স্বপ্নার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করে পাওয়া যায়নি।

স্বপ্নার অবসাদের কারণ এই ফুটবলই। গত বছর সাফ চ্যাম্পিয়ন হয়ে আসার পর নারী ফুটবলাররা এখনো কোনো ম্যাচ খেলতে পারেননি। দুই দফা প্রীতি ম্যাচের আয়োজনের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছে বাফুফে। মিয়ানমারে অলিম্পিক বাছাইয়ে খেলতে পাঠায়নি। অনেকের দেশের বাইরে খেলার প্রস্তাব ছিল। নারী ফ্রাঞ্চাইজ লিগের জন্য সেই প্রস্তাবও সাড়া দিতে পারেননি। নারী ফ্রাঞ্চাইজ লিগ কবে হবে এ নিয়েও রয়েছে অনিশ্চয়তা। সব কিছু মিলিয়ে স্বপ্না হতাশ ছিল বলে জানা গেছে।
এর আগে সাফ চ্যাম্পিয়ন দলের দুই সদস্য ফুটবল ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন। তারা অবশ্য বাফুফের ক্যাম্প থেকে বাদ পড়েছিলেন পারফরম্যান্সের জন্য। জাতীয় দলের ক্যাম্পে না থাকতে পারলে তাদের আর ফুটবলে কিছু করার সুযোগ নেই এই ভেবে তারা অবসরের ঘোষণা দিয়েছিলেন।

তবে স্বপ্নার বিষয়টি ভিন্ন। তিনি ক্যাম্পে থেকেও খেলার সুযোগ না পাওয়ায় হতাশাগ্রস্ত হয়ে এমনটি ভাবছেন। বিভিন্ন সূত্রের খবর, স্বপ্নার মতো সাফ চ্যাম্পিয়ন দলের অনেকেরই একই মনোঃকষ্ট। চ্যাম্পিয়ন হওয়ার আট মাসের মধ্যেও একটি ম্যাচ খেলতে পারেননি তারা। আবার কবে খেলবেন সেটিরও কোনো নিশ্চয়তা নেই।

ভয়েস/আআ

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION