রবিবার, ২১ Jun ২০২৬, ০১:২০ অপরাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।

উখিয়ায় র‍্যাব পরিচয়ে ছিনতাইকালে গ্রেপ্তার ২

ভয়েস প্রতিবেদক :

উখিয়ায় র‍্যাবের সদস্য পরিচয় দেয়া দুই দুর্বৃত্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এসময় তাদের কাছ থেকে ছিনতাই কাজে ব্যবহৃত কিছু উপকরণ এবং লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে।

বুধবার (১৮ অক্টোবর) বিকেলে বিষয়টি উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী নিশ্চিত করেছেন।

এরআগে মঙ্গলবার (১৭ অক্টোবর) রাতে উখিয়া উপজেলার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প সংলগ্ন টিভি টাওয়ার এলাকায় এ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

গ্রেপ্তাররা হলেন, গোপালগজ্ঞ জেলার কাশিয়ানি উপজেলার রাজপাট এলাকার আকবর আলী মুন্সির ছেলে মো. সুমন মুন্সি (৩২) এবং খুলনা জেলার কয়রা উপজেলার আংটিয়ারী এলাকার ইব্রাহিম গাজীর ছেলে ফারুক হোসেন (৩৭)।

এদের মধ্যে সুমন মুন্সি নিজেকে সেনাবাহিনীর বহিস্কৃত নায়েক এবং ঢাকার মোহাম্মদপুর র‍্যাব-২ ব্যাটালিয়নে কর্মরত অবস্থায় ছিনতাইয়ের ঘটনায় অভিযুক্ত বলে স্বীকার করেছে। তার বিরুদ্ধে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন থানায় চাঁদাবাজী, ছিনতাই ও মাদকসহ ৭ টির বেশী মামলা রয়েছে।

এছাড়া ফারুক হোসেন নিজেকে সেনাবাহিনীর বহিস্কৃত সিপাহী এবং সংস্থাটির শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে এক বছর কারাভোগ করেছেন বলে স্বীকার করেছেন।

ওসি মোহাম্মদ আলী বলেন, মঙ্গলবার রাতে উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প সংলগ্ন টিভি টাওয়ার এলাকায় কতিপয় দূর্বৃত্ত র্যাব সদস্য পরিচয় দিয়ে রোহিঙ্গা নাগরিকসহ স্থানীয় পথচারিদের ছিনতাই করছে খবরে পুলিশের একটি দল অভিযান চালায়। এতে ঘটনাস্থলে পৌঁছলে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চালায়। পরে ধাওয়া দিয়ে দুইজনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হন।

তিনি বলেন, ‘গ্রেপ্তারদের হেফাজত থেকে লুণ্ঠিত নগদ ২ হাজার ১১৫ টাকা ও ৩ টি মোবাইল ফোন সেট পাওয়া যায়। এছাড়া ছিনতাই কাজে ব্যবহৃত র‍্যাব লেখা সম্বলিত ২টি জ্যাকেট, ১ জোড়া হ্যান্ডকাফ, র‍্যাবের একটি পরিচয়পত্র, ১টি ওয়াকিটকি সেট ও সেনাবাহিনীর মনোগ্রাম সম্বলিত একটি মানিব্যাগ উদ্ধার করা হয়েছে।’

ওসি মোহাম্মদ আলী আরও বলেন, ‘গ্রেপ্তার দুর্বৃত্তরা নিজেদের সেনাবাহিনীর বহিস্কৃত সদস্য বলে স্বীকারোক্তি দিলেও তারা আসলে ওই সংস্থায় কর্মরত ছিল কিনা তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তাদের বিরুদ্ধে ছিনতাইসহ নানা অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে দেশের বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।’

গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে থানায় মামলা করা হয়েছে বলে জানান উখিয়া থানা পুলিশের ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী।

ভয়েস / জেইউ।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION