রবিবার, ২১ Jun ২০২৬, ১১:৩৫ পূর্বাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।

৫ দিনের মাথায় আরও এক যুবক অপহরণ

ভয়েস নিউজ ডেস্ক:

টেকনাফে পাহাড়ে অপহৃত সোনা আলী নামে এক ব্যক্তির সন্ধান মেলেনি পাঁচ দিনেও। এর মধ্যেই আবুল হাশেম নামের আরও এক যুবককে অপহরণের খবর পাওয়া গেছে।

রবিবার (২২ অক্টোবর) রাত ১০টার দিকে উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের নোয়াখালীয়াপাড়া (খামারপাড়ার) থেকে অপহৃত হন তিনি।আবুল হাশেম উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের নোয়াখালী পাড়া গ্রামের বাসিন্দা আবদুর রহিমের ছেলে।

বাহারছড়া ইউনিয়ন পরিষদের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোহাম্মদ ইলিয়াস প্রতিদিনের বাংলাদেশকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

পরিবারের বরাতে তিনি বলেন, ‘অপহৃত আবুল হাশেম আমার চাচাতো ভাইয়ের ছেলে। সে টেকনাফ পৌরসভার একটি খাবার পানি সবরবাহ প্রতিষ্ঠানে চাকরি করে। গতকাল সন্ধ্যায় সে টেকনাফ থেকে বাড়িতে আসে। রাতে ভাত খেয়ে ঘুমাতে যাওয়ার আগে প্রাকৃতিক কাজ সারতে ঘর থেকে বের হলে সন্ত্রাসীরা অস্ত্রের মুখে তাকে জিম্মি করে। তাকে টেনেহিঁচড়ে পাহাড়ের দিকে নিয়ে যাওয়ার সময় সে চিৎকার করতে থাকে। এসময় বাড়ির লোকজন বের হয়ে টর্চ লাইটের আলোতে দেখতে পায় মুখোশধারী কয়েকজন সন্ত্রাসী হাশেমকে পাহাড়ের দিকে নিয়ে যাচ্ছে।’

বিষয়টি শুনেছেন জানিয়ে বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পরিদর্শক মো. মশিউর রহমান বলেন, ‘ইউপি সদস্যের মাধ্যমে অপহরণের বিষয়টি শুনেছি। ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি দল পাঠানো হয়েছে।’

এদিকে গত বৃহস্পতিবার অপহৃত সোনা আলীর এখনো কোনো সন্ধান মিলেনি। ফোন করে কোনো ধরনের মুক্তিপণও দাবি করেনি সন্ত্রাসীরা। এতে করে আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েছে ভুক্তভোগী পরিবার।

অপহৃত সোনা আলী বাহারছড়া ইউনিয়নের মাথাভাঙ্গা গ্রামের নাজির হোসাইনের ছেলে। আজ সোমবার সকাল পর্যন্ত তার কোনো ধরনের সন্ধান পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন বাহারছড়া ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ফরিদ উল্লাহ।

তিনি বলেন, ‘বৃহস্পতিবার সকালে বাহারছড়া ইউনিয়নের মাথাভাঙ্গা পাহাড়ের পাদদেশে পানের বরজে কাজ করার সময় সোনা আলীকে মুখোশধারী সন্ত্রাসীরা অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে গহীন পাহাড়ে ভেতরে নিয়ে যায়। তার কাছে কোনো মোবাইল নেই এবং ঘরে থাকা মোবাইল ফোন নম্বরটিও তার জানা নেই। হয়তো এ কারণে সন্ত্রাসীরা ফোন করে মুক্তিপণ দাবি করতে পারছে না।’

এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতে সোনা আলীর স্ত্রী সখিনা খাতুন অজ্ঞাত পরিচয় ১৪/১৫ জনকে আসামি করে টেকনাফ থানায় একটি অভিযোগ করেন।

সখিনা খাতুন বলেন, ‘একটা মানুষকে অপহরণ করে নিয়ে গেছে পাঁচ দিন হলো। তার কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। তাকে নিয়ে আমরা আতঙ্কের মধ্যে রয়েছি।’

এ বিষয়ে বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পরিদর্শক মো. মশিউর রহমান বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ সোনা আলীকে উদ্ধার করতে একাধিক স্থানে অভিযান চালিয়েছে। অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ভয়েস/জেইউ।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION