সোমবার, ২২ Jun ২০২৬, ০৭:৪২ পূর্বাহ্ন
ভয়েস প্রতিবেদক, মহেশখালী:
মহেশখালী উপজেলার হোয়ানক বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় নিয়ে দুর্নীতি, জালিয়াতি ও যৌন হয়রানির মত অভিযোগ যেন ক্রমে লম্বা হয়ে চলেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায় এই উচ্চ বিদ্যালয় ঘিরে একটা শক্তিশালী সিন্ডিকেট রয়েছে। যে সিন্ডিকেটের পরিচালক হচ্ছে এই স্কুলের সাবেক প্রধান শিক্ষক ও সভাপতি শফিকুর রহমান। বর্তমানে স্কুলের সাথে যুক্ত না থেকেও তিনিই এই সিন্ডিকেটের মাধ্যমে স্কুল পরিচালনার ক্ষেত্রে ব্যাপক প্রভাব রাখেন বলে জানা যায়। কিছুদিন আগে অত্র বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক কাজল কান্তি সুশীল কর্তৃক ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠে। এবং এর সত্যতা পেয়ে স্কুল পরিচালনা কমিটি তাকে স্কুল থেকে বহিষ্কার করে। কিন্তু শফিকুর রহমান এটা নিয়ে নানা দেন দরবার করে তাকে পুনরায় এই স্কুলে বহাল রাখতে নানা দেন দরবার করেন।

উল্লেখ্য স্কুল সূত্র থেকে জানাযায়, এই শফিকুর রহমান নিজেই অনেক জালিয়াতি করেছেন বলে জানা যায়। তার নিজের ন্যাশনাল আইডি নাম্বার দুইটা। একটাতে তার জন্ম তারিখ ২০/৪/১৯৫৫,এটা আসলটা। নিবন্ধনের জন্য ভুয়া আইডিতে তার জন্ম তারিখ ২০/৪/১৯৬০ সাল। মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের তালিকায় শেষের এই জন্ম তারিখটি রয়েছে। অন্যদিকে এমপিওর ফর্মে তার এসএসসি পাশের সাল ১৯৭২ সাল। এখন প্রশ্ন হচ্ছে তিনি কি মাত্র ১১ বছর বয়সে এসএসসি পাশ করেন?
তার বিরুদ্ধে আরো অভিযোগ হচ্ছে তিনি, অত্র স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক সভাপতি মরহুম আবু তাহের সিকদারের স্বাক্ষর জালিয়াতি করে মাস্টার শহিদুল্লাহসহ আরো অনেককে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে নিয়োগ দিয়েছেন। অথচ ২০০২ সারের পর এই মাস্টার শহিদুল্লাহ দীর্ঘ ১২ বছর সৌদি আরবে ছিলেন। এটা কিভাবে সম্ভব?
অন্যদিকে হোয়ানক বহুমুখি উচ্চ বিদ্যালয থেকে ১৯৯১ সালে অবসর ভাতাসহ অবসর নেন ও পরবর্তীতে হোয়ানক ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হয়েছেন। আবারও কিভাবে ইনডেক্সভুক্ত হলেন তিনি?
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সব কিছু বৈধভাবে করেছেন। মাষ্টার কাজলের ছাত্রীদের যৌন হয়রানির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ওটা ছাত্রী অস্বীকার করেছে।
ভয়েস/জেইউ।